পজিটিভ চিন্তা দিয়েই হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় রাজীব

পজিটিভ চিন্তা দিয়েই হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় রাজীব

• রাজীবের বয়স ২৭। সে মেধাবী ও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের মানুষ। একটা ভালো কোম্পানিতে চাকরি করে। সে তার কর্মস্থলে কাজ করে আনন্দ পায়। স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে তার সুখী পরিবার।

কয়েক বছর পর রাজীবের অফিসে নতুন ম্যানেজার আসে। তার নতুন বস কোনো কারণে তাকে পছন্দ করে না।

কারণে অকারণে তাকে হেয় করে এবং মানসিক চাপে রাখে। সে পরিবারের কথা ভেবে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে। তবে নিজেকে তার বেশ মর্যাদাহীন মনে হতে লাগল।

এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর সে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ফিল করছিল। স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সে চাকরি ছেড়ে দিল। তারপর আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ল। ফলে নতুন কোনো কাজ জোগাড় করতে পারল না।

সে নিজেকে দোষ দিতে শুরু করল এই ভেবে যে, তার অসুস্থতা নিজের সীমাবদ্ধতারই শাস্তি। নিজেকে এখন তার আরও মর্যাদাহীন মনে হয়।

রাজীবের একসময়ের শিক্ষক, বর্তমানে তার মেন্টর। সে তার মেন্টরের সঙ্গে আলোচনার পর বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করল।

নিজেকে দোষ না দিয়ে ভাবতে শুরু করল,স্বামী-স্ত্রী দুজনে আলোচনা করেই তো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং তারা অসুস্থতার কথা তখন চিন্তা করে নি এমন কথা ।

অসুস্থতা তো বলে-কয়ে আসে না। এখন সে বারবার মনে মনে এটাই ভাবে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করা যায়। এও ভাবে, তার কর্মস্থলে নতুন বস আসার পর সে ভালো ছিল না।

এখন আবার স্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়, শরীরটা ভালো হলে অন্য কোনো কাজ জোগাড় করে নিবে। হোক তা আগের চেয়ে ছোট কোনো কাজ । এই পজিটিভ চিন্তায় সে ভালো ফিল করতে শুরু করল। সে একটা কাজও পেয়ে গেল।

স্ত্রী তাকে বলল, ‘তুমি যেভাবে আমাদের ভালোবাসো এই কাজটিকেও একইভাবে ভালোবাসো। দেখবে কাজটিকে আর ছোট মনে হবে না।

কারণ, তুমি তোমার পরিবারকে ভালোবাসো।’ রাজীব স্ত্রীর কথায় আরও উদ্দীপনা পায়, তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং নিজের হারানো মর্যাদাও ফিরে পায় সে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *