বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রধান ও সহকারী প্রধান পর্যায়ের পদে নিয়োগ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর যাচাই–বাছাই শুরু করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
যাচাই–বাছাই ও পরীক্ষার ধাপ
আবেদন গ্রহণ বন্ধ হওয়ার পর প্রার্থীদের তথ্য ও কাগজপত্র পরীক্ষা করে একটি বৈধ প্রার্থী তালিকা তৈরি করা হবে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুটি ধাপ থাকবে—প্রথমে প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ পদ্ধতির) পরীক্ষা এবং পরে মৌখিক পরীক্ষা। তবে পুরো বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে পরীক্ষার সময়সূচি ও নম্বর বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে।
এনটিআরসিএর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ ও চূড়ান্ত সুপারিশ সম্পন্ন করার আশাবাদ রয়েছে। যদিও এটি এখনো প্রাথমিক পরিকল্পনার অংশ, তবুও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম শেষ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শূন্য পদের সংখ্যা
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে।
-
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর–এর অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ: ১০,২৭৮টি
-
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর–এর আওতায় শূন্য পদ: ১৪০টি
-
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর–এর অধীন শূন্য পদ: ৩,১৩১টি
সব মিলিয়ে মোট শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩,৫৯৯টি।
যেসব পদে নিয়োগ
এই নিয়োগ কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদ।
সম্ভাব্য সময়সীমা
আবেদন যাচাই, পরীক্ষার আয়োজন, ফলাফল প্রকাশ এবং চূড়ান্ত সুপারিশ সব ধাপ সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দ্রুত যাচাই ও পরীক্ষা সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।




















আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...